এইভাবে টোকিও বিগত দশ বছর ধরে অনুসৃত সামরিক খরচ হ্রাসের নীতি ত্যাগ করছে, চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক ক্ষমতা এবং উত্তর কোরিয়ার রকেট-পারমাণবিক কর্মসূচির প্রতি-ভার গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার উদ্ধৃতি দিয়ে. সামরিক উদ্দেশ্যে নতুন অর্থ বরাদ্দের সিদ্ধান্ত – মঙ্গলবার জাপান সরকারের দ্বারা অনুমোদিত একসারি দলিলের অঙ্গীভূত অংশ, যাতে, বিশেষ করে, অন্তর্ভুক্ত আছে জাতীয় নিরাপত্তার নতুন স্ট্র্যাটেজি, যা নির্দেশিত সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রতি এবং প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে আগেকার একসারি সীমিতকরণ বাতিল করার প্রতি. তাছাড়া, সশস্ত্র বাহিনীকে সুদৃঢ় করার ৫-বছরের এবং ১০-বছরের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যা সর্বপ্রথমে নির্দেশিত চীনের প্রতি-ভার সৃষ্টির জন্য. স্থল বাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীকে ব্যাপক পরিসরে নতুন প্রযুক্তিতে সজ্জিত করারও পরিকল্পনা রয়েছে.