রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব বান কী মুনও এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ও সেই দেশের রাষ্ট্রপতি ভিক্টর ইয়ানুকোভিচের সঙ্গে কথা বলেছেন. তিনি বলেছেন সংযত ভাবে আলোচনার মাধ্যমেই সকল পক্ষের সমস্যা সমাধান করার দরকার রয়েছে. কিন্তু সিদ্ধান্ত যাই হোক, তা হবে ইউক্রেনের জনগনের.

নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় প্রকাশিত এক সম্পাদকীয় প্রবন্ধে ১১ই ডিসেম্বরে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইউক্রেনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কঠিন আর দেশে দুটি গোষ্ঠী তৈরী হয়েছে, একদল চায় রাশিয়ার সাথে জোট বাঁধতে ও আরও একদল রয়েছে ইউরোপীয় সঙ্ঘের পক্ষে. এই পত্রিকায় মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের থেকে কিয়েভের কাছ থেকে ঋণ শোধ করার জন্য এক হাজার পাঁচশো কোটি ডলার ফেরত চাওয়া হয়েছে. সেখানে বলা হয়েছে এবারে ইউক্রেনের হয় রাশিয়া অথবা ইউরোপীয় সঙ্ঘের কাছ থেকে সাহায্য চাইতেই হবে.