চিনাওয়াত তাছাড়া সাময়িক দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা গ্রহণে অস্বীকার করেছেন, এবং এভাবে থাইল্যান্ডের রাজার দ্বারা সাময়িক প্রধানমন্ত্রী নিযুক্তির জন্য পথ উন্মুক্ত করেছেন, যেমন সংবিধানে অনুমিত আছে সঙ্কটজনক পরিস্থিতির জন্য. এদিকে ব্যাঙ্ককে সরকারবিরোধী মিছিল চলছে. প্রতিবাদ আন্দোলনের নেতা সুথেপ থিয়াকসুবান সোমবার বলেছেন যে, প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দেওয়া এবং নতুন সার্বজনীন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি বিরোধীপক্ষের বিজয় নয়. তিনি বলেন, আজ আমাদের লক্ষ্য – "সরকারের ভবন দখল করা". তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, বিরোধীপক্ষ সোমবার শান্তিপূর্ণ বিপ্লব সাধন সম্পর্কে নিজের পরিকল্পনা ত্যাগ করছে না. আগে তিনি একাধিকবার লোকসমক্ষে স্বীকার করেন যে, নতুন নির্বাচনের ক্ষেত্রে চিনাওয়াতের লোকেরা আবার ক্ষমতায় আসবে. বিরোধীপক্ষের সমর্থনে ব্যাঙ্ককের রাস্তায় সোমবার বের হয়েছে ৫০ হাজারেরও বেশি লোক, তারা যাচ্ছে সরকারের ভবনের দিকে. তাদের সাথে যোগ দিয়েছে বিরোধীপক্ষের পার্লামেন্ট-সদস্যরা.