তিনি আরও বলেছেন যে, আফগানিস্তানের লোকরা চাই বললে জোট ২০১৪ সালে সৈন্য প্রত্যাহারের পরেও কাজ চালিয়ে যেতে পারে. তাঁর কথামতো, আফগানিস্তান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি জোটের মিশনকে অর্থ ও রসদ সহায়তা দেওয়ার জন্যই প্রয়োজন. তাছাড়া প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা আফগানিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর জন্যও আইনসঙ্গত ভাবে দেওয়া যেতে পারে. তিনি আফগানিস্তানের লোকসভার পক্ষ থেকে মার্কিন চুক্তিকে সমর্থন করাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন. যদি ন্যাটো জোটের সেনা বাহিনী সেখানে না থাকে, তবে আন্তর্জাতিক ভাবে আফগানিস্তানকে সহায়তা দেওয়া কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাসমুস্সেন. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরে এবারে ন্যাটো জোটের পক্ষ থেকেও রাষ্ট্রপতি কারজাইয়ের উপরে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে.