তবে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক আগের মতোই মনে করেন যে, আমন্ত্রিতদের মধ্যে ইরানেরও থাকা উচিত্, কারণ ইরান “গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে” সিরিয়ায় মীমাংসায় এবং গোটা অঞ্চলের ব্যাপারে. এ সম্বন্ধে তিনি বলেছেন সোমবার পেরু-র রাজধানী লিমায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে. তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, অংশগ্রহণকারীদের তালিকা সর্বসম্মত করা হবে প্রস্তুতিমূলক সাক্ষাতে, যা অনুষ্ঠিত হবে ২০শে ডিসেম্বর জেনেভায় রাষ্ট্রসঙ্ঘ, রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণে. গত সপ্তাহে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহম্মদ জাওয়াদ জরিফ বলেন যে, তাঁর দেশ “জেনেভা-২” সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে প্রস্তুত “কোনো প্রারম্ভিক শর্ত ছাড়া”, যদি আমন্ত্রণ পাঠানো হয়. সম্মেলনে ইরানের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণের বিরুদ্ধে দীর্ঘকাল ধরে মত প্রকাশ করেছিল সিরিয়ার বিরোধীপক্ষ, যারা তেহেরান-কে দোষ দিচ্ছে আভ্যন্তরীন সঙ্ঘর্ষে হস্তক্ষেপের.