প্রতিবাদকারীরা এখনও অর্থ মন্ত্রনালয়ের ভবনে ঘাঁটি গেড়ে আছে, যেখানে তারা সমাবেশকারীদের অন্যতম শীর্ষশিবির গড়েছে. চায়েঙ্গভাতিয়া পল্লীতেও সরকারি ভবনগুলির কাছ থেকে প্রতিবাদকারীরা সরেনি. থাইল্যান্ড সরকার নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যাঙ্ককবাসীদের বাড়িঘর থেকে না বেরোনোর অনুরোধ জানিয়েছিল রবিবার. শহরে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা শক্তির বিশেষ অপারেশন হওয়ার কথা ছিল. খবরে প্রকাশ যে, ১লা ডিসেম্বর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইঙ্গলাক চিনাওয়াত সরকারবিরোধীদের শীর্ষনেতা সুথেপ তাউগসুবানমের সাথে সাক্ষাতকারে মিলিত হয়েছিলেন. তাউগসুবানম জানিয়েছেন, যে তিনি ২ দিনের মধ্যে দেশের শাসনভার জনগণের হাতে তুলে দেওয়ার চরম শর্ত দিয়েছেন, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তার কোনো জবাব দেননি.