সরকারবিরোধী স্লোগান তুলে এবং পথচারীদের প্রতি শীষ দিয়ে তারা সারি বেঁধে ব্যাঙ্ককের একটি প্রধান রাস্তা – সুখুমভিত রাস্তা ধরে এগোয়. প্রতিবাদকারীদের সাথে যোগ দেন বিরোধী পার্টির নেতা, দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অভিসিত ভেতচাচিভা. আগে মিছিলকারীরা থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনীর সদর-দপ্তরের ভবনে ঢুকে পড়তে সক্ষম হয়েছিল. প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য অনুযায়ী, তারা বেড়া পার হয়ে ভবনটি ঘিরে ফেলে. তারা স্পষ্ট করে নেওয়ার চেষ্টা করছে সেনাবাহিনী কার পক্ষে – বিরোধীপক্ষ অথবা সরকারের. থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনীর অধিনায়কমন্ডলী একাধিকবার ঘোষণা করেছে যে, তারা বিরোধের কোনো পক্ষকে সমর্থন করে না.