খবর অনুযায়ী, জাহাজটি প্রথমে যাবে শ্বেত সাগরে, সেখানে জ্বালানী ভরা হবে, তারপর তা গিয়ে থামবে মুরমনস্কে. এ জাহাজে ভারতীয় নৌ-কর্মীদের সাথে রয়েছে সেভমাশ সংস্থার প্রায় ১৮০ জন বিশেষজ্ঞ. তাঁরা জাহাজের যন্ত্রপাতির কাজকর্ম নজরে রাখবেন, জাহাজের যন্ত্রপাতি ঠিকভাবে ব্যবহার করতে সাহায্য করবেন ভারতীয় নাবিকদের, এবং সম্ভাব্য গোলযোগ তাড়াতাড়ি দূর করবেন. রাশিয়ার এই কর্মীদের একাংশ সঙ্গে সঙ্গেই ভারত ছেড়ে যাবে, অন্য অংশ ভারতে থাকবে জাহাজের গ্যারান্টি সার্ভিসের জন্য. ২০০৪ সালের জানুয়ারী নয়া-দিল্লিতে স্বাক্ষরিত আন্তঃসরকারী চুক্তি অনুযায়ী, রাশিয়ার বিমানবাহী ক্রুজার “অ্যাডমিরাল গর্শকোভ| (“বিক্রমাদিত্য”) ভারতীয় পক্ষকে দেওয়া হয়েছিল বিনা পয়সায়, তবে এই শর্তে যে, তার আধুনিকীকরণ করা হবে রাশিয়ার “সেভমাশ” সংস্থার ডকে, এবং তা সজ্জিত করা হবে রাশিয়ায় উত্পাদিত সাজ-সরঞ্জামে. রাশিয়া তাছাড়া দায়িত্ব নিয়েছিল বিমানবাহী জাহাজের ভারতীয় কর্মীদের তালিম দেওয়ার. প্রথম দিকে এ চুক্তির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৫০ কোটি ডলার.