এ অবরোধের উদ্দেশ্য – পার্লামেন্টারী নির্বাচন যাতে পিছিয়ে দেওয়া যায়. এদিকে সারা দেশে বিশৃঙ্খলা চলছে, মঙ্গলবার জানিয়েছে স্থানীয় প্রচার মাধ্যম. বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পার্টি এবং বৃহত্তম বিরোধী পার্টি “জামাআত-ই-ইসলামী” রেলপথের রেলস সরিয়ে নিচ্ছে, “যাত্রা নিষেধ” লঙ্ঘন করা বাস ও মোটরগাড়ি পুড়িয়ে দিচ্ছে. পুলিশের সাথে সঙ্ঘর্ষে অন্ততপক্ষে তিন জন নিহত এবং প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছে. কর্তৃপক্ষ বড় শহরগুলিতে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী পাঠিয়েছে. সোমবার কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিশন পার্লামেন্টারী নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করেছে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারী. তাতে মুখ্য প্রতিদ্বন্দ্বী হবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, যার নেত্রী শেখ হাসিনা দ্বিতীয় বার সরকারের নেতৃত্ব করছেন, এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পার্টি খালেদা জিয়া-র নেতৃত্বে, যিনি আগে দু বার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন. আগে নভেম্বরে পার্লামেন্টারী নির্বাচনের জন্য গঠিত হয়েছে সাময়িক মন্ত্রীপরিষদ, যাতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক পার্টির প্রতিনিধি. বি.এন.পি এ সরকারে অংশগ্রহণের জন্য শেখ হাসিনা-র প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছে এবং কর্তৃপক্ষের উপর দোষারোপ করেছে “এক পার্টির নির্বাচন” পরিচালনার প্রচেষ্টার.