এ সম্বন্ধে গত বুধবার বলেছেন ইস্রাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আভিগদোর লিবেরমান স্দেরোতে সামাজিক সম্মেলনে বক্তৃতা দিয়ে. তিনি স্বীকার করেন যে, ইস্রাইল এবং তার প্রধান স্ট্র্যাটেজিক শরিক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাঝে সম্পর্ক দুর্বল হয়ে পড়েছে. তাছাড়া, ওয়াশিংটন অতি বিপুল সংখ্যক আন্তর্জাতিক ও অর্থনৈতিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে. সেইজন্য ইস্রাইলের আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নতুন নতুন মিত্রদেশ খোঁজার সময় এসেছে, ইঙ্গিত দেন ইস্রাইলের কূটনীতিজ্ঞ. লিবেরমান উল্লেখ করেন যে, ইস্রাইলের মিত্রদেশ হিসেবে এমন সব দেশকে খোঁজা উচিত্ যারা আরব জগতের অর্থের উপর নির্ভরশীল নয়. সেই সঙ্গে তিনি সঠিক করে বলেন নি, সম্ভাব্য শরিক হিসেবে কোন দেশগুলিকে বোঝাতে চেয়েছেন. ইস্রাইল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতিতে সম্মত নয় এবং তেহেরানের সাথে চুক্তি সম্পাদনের ব্যাপারে সতর্ক করে দেন, সামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করা সম্পর্কে ইরানের কথায় বিশ্বাস না করে. বর্তমানে জেনেভায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ইরানের সাথে মধ্যস্থ “ছয় দেশের” (রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পাঁচটি দেশ ও জার্মানি)পরবর্তী রাউন্ডের আলাপ-আলোচনা চলছে. তার অংশগ্রহণকারীরা অন্তর্বর্তী চুক্তি সম্পাদনের সম্ভাবনা বাদ দিচ্ছেন না, যা, পাশ্চাত্যের মতে, ইরানের পারমাণবিক ক্ষেত্রের কার্যকলাপ সীমিত করার সুযোগ দেবে.