তারই মধ্যে, বৃহস্পতিবারে ব্রাসেলস শহরে কূটনৈতিক উত্স থেকে খবর বলে “রিয়া নোভস্তি” সংবাদ সংস্থা খবর দিয়েছে যে, ইরানের সঙ্গে নতুন আলোচনার রাউন্ড হয়তো হবে ২১-১১ নভেম্বর জেনেভায়, তবে আগে যেমন ঠিক ছিল, সেই রকম ২০শে নভেম্বর নয়.

সোমবারে তেহরান ও আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ সংস্থা আলোচনার পথ নির্দেশ নিয়ে এক সমঝোতায় স্বাক্ষর করেছে, যেখানে সালেখি ও ইউকিও আমানো উপস্থিত ছিলেন. এই সমঝোতায় দেওয়া ব্যবস্থা সংস্থার পর্যবেক্ষকদের ইরানের পারমাণবিক পরিকল্পনা নিয়ে বেশী করে জানার সুযোগ করে দেবেও তা করা হবে আগামী তিন মাসের মধ্যেই. গত সপ্তাহে জেনেভা শহরে ইরান ও “ছয় মধ্যস্থতাকারী” পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে, যা শেষ অবধি সব দেশের পররাষ্ট্র প্রধানদের স্তরেই উন্নীত হয়েছিল. এই আলোচনার ফলাফল হিসাবে রাশিয়ার পররাষ্ট্র প্রধান সের্গেই লাভরভ ঘোষণা করেছিলেন যে, “এই প্রথমবার নিষেধাজ্ঞার হাতল ব্যবহার করা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব হয়েছে” ও “সমস্যার মূল বিষয় নিয়ে কার্যকরী আলোচনা করা গিয়েছে”. ইরানকে প্রস্তাব করা হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সঙ্গে তাদের পারমাণবিক পরিকল্পনা থেকেও নিরস্ত হওয়ার জন্য.