এদিকে ফিলিপাইনের রাষ্ট্রপতি বেনিগ্নো আকিনো “সি.এন.এন” টেলি-চ্যানেলকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে নিহতদের মোট সংখ্যার মূল্যায়ন করেছেন দুই থেকে আড়াই হাজার জন, জানিয়েছে “রয়টার” সংবাদ এজেন্সি. তিনি লেইতে প্রদেশের কর্তৃপক্ষের এ খবর খন্ডন করেছেন যে, নিহতদের সংখ্যা ১০ হাজারে পৌঁছোতে পারে, এবং বলেছেন যে এ মূল্যায়ন করা হয়েছে বাড়িয়ে. রাষ্ট্রপতির কথায়, ফিলিপাইনের সরকার এ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কুপরিণতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে চলেছে. তাঁর কথায়, ২৯টি শহর থেকে নিহত ও নিখোঁজ লোকেদের সম্পর্কে তথ্য এখনও পাওয়া যায় নি, কারণ টাইফুনের কুপরিণতির জন্য সব বসতি-কেন্দ্রে উদ্ধার-কর্মীরা এখনও পৌঁছোতে পারে নি. প্রসঙ্গত, ফিলিপাইনে রেডক্রস সমিতির প্রধান সচিব গোয়েন্ডোলিন পান সংবাদ এজেন্সিকে জানিয়েছেন যে, নিহতদের সংখ্যা বাড়তে পারে. তাঁর তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ লোকেদের তালিকায় ২২ হাজার লোকের নাম আছে. রাষ্ট্রসঙ্ঘের মূল্যায়ন অনুযায়ী, “হাইয়ান” টাইফুন প্রভাবিত করেছে ৯৮ লক্ষ মানুষের জীবন, ৬ লক্ষ ৭০ হাজারেরও বেশি লোক নিজেদের বাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে, অনেকে খাদ্যদ্রব্যের অভাবে ভুগছে. আন্তর্জাতিক জনসমাজ এই সুপার-টাইফুনের কুপরিণতি দূর করায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করছে, বিশেষ করে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত তাক্লোবান শহরে. মানবতাবাদী সাহায্য এবং ফিল্ড-চিকিত্সা সাহায্য সুনিশ্চিত করছে রাশিয়া, চীন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, গ্রেট-বৃটেন, ইস্রাইল, বেলজিয়াম ও নরওয়ে. প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এ সুপার-টাইফুনে ফিলিপাইনে অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ ৮০০ থেকে ১৯০০ কোটি ডলার, জানিয়েছে “রয়টার” সংবাদ এজেন্সি.