এ সম্বন্ধে সোমবার জানিয়েছে “ইসনা” সংবাদ এজেন্সি. আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সির ডিরেক্টর জেনারেল ইউকিয়া আমানো এবং ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান আলি আকবর সালেহি-র সাক্ষাতের ফলাফলের ভিত্তিতে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে. ২৮শে অক্টোবর ভিয়েনায় আলাপ-আলোচনার আগের রাউন্ডে ইরান নতুন প্রস্তাব পেশ করে. তার খুঁটিনাটি জানানো হয় নি, তবে পক্ষদ্বয় অতি গঠনমূলক বলে তাকে অভিহিত করেছে. ভিয়েনায় এক উচ্চপদস্থ কূটনৈতিক সূত্র তখন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন যে, আলাপ-আলোচনায় অগ্রগতি সম্বন্ধে বিচার করা যাবে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সির প্রতিনিধিদলের মান বিচার করে, যা ১১ই নভেম্বর তেহেরান রওনা হবে. এর প্রাক্কালে জেনেভায় আন্তর্জাতিক মধ্যস্থ “ছয় দেশ” ও ইরানের সাক্ষাত্ হয়েছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের পর্যায়ে. যদিও তা শেষ হয়েছে প্রত্যাশিত চুক্তি ছাড়াই, তবুও পক্ষগুলি ইঙ্গিত দিয়েছে যে, যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে, আর রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরোভ বলেছেন যে, এই প্রথম “নিষেধাজ্ঞার চাপ-যন্ত্র” থেকে সরে আসার এবং “কার্যকরীভাবে সমস্যার মর্মের বিবেচনায়” উত্তীর্ণ হওয়া সম্ভব হয়েছে.