এ মহড়া চলবে দশ দিন ধরে, আর তা শুরু হয়েছিল গত মঙ্গলবার চীনের চেনদু সামরিক অঞ্চলে, যার অন্তর্ভুক্ত ভারতের সাথে সীমানায় অবস্থিত তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল. ভারত ও চীনের মাঝে সামরিক সীমান্ত সহযোগিতা সংক্রান্ত নতুন চুক্তি সম্পাদনের ঠিক পরেই এ মহড়া চালানো হচ্ছে. মহড়ায় অংশগ্রহণ করছে ৩২০ জন সামরিক কর্মচারী, প্রত্যেক পক্ষের ১৬০ জন করে, লিখেছে ভারতের “টাইমস অফ ইন্ডিয়া” পত্রিকা. অংশগ্রহণকারীরা হস্টেজ মুক্তি এবং সন্ত্রাসবাদীদের আটক, মিলিত আক্রমণ পরিচালনা এবং অন্যান্য মিলিত ট্যাক্টিক্যাল কার্যকলাপের সমন্বয় সাধন অনুশীলন করছেন. চেনদু সামরিক অঞ্চলের সহকারী অধিনায়ক লেফটেনেন্ট জেনারেল ইয়ান জিনশান বলেছেন যে, চীন ও ভারত বর্তমানে একি ধরণের বিপদের সম্মুখীন হচ্ছে, সেই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদেরও, যা বিশ্বব্যাপী সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে. তিনি উল্লেখ করেন যে, চীন ইতিমধ্যে পাকিস্তানের সাথে এ ক্ষেত্রে “সব আবহাওয়ার” সম্পর্ক স্থাপন করেছে. এখন বেজিংয়ের প্রয়োজন আরও আস্থাপূর্ণ ও মৈত্রী সম্পর্ক গড়ে তোলা ভারতের সাথে, যা চীনের গুরুত্বপূর্ণ শরিক দেশ, বলেন তিনি. তাঁর ভারতীয় সহকর্মী লেফটেনেন্ট জেনারেল বিনোদ ভাটিয়া বলেন যে, ভারত ও চীনের মাঝে দ্বিপাক্ষিক সামরিক সহযোগিতা পুনরারম্ভের জন্য এ মহড়া “সুন্দর সূচনা”.