পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী চৌধুরী নিসার আলি খান এই ড্রোন বিমানের হামলাকে সমালোচনা করেছেন ও বলেছেন যে, এর লক্ষ্য হয়েছে “তেহরিক-এ-তালিবান পাকিস্তান” দলের সঙ্গে দেশের প্রশাসনের সদ্য শুরু হওয়া শান্তি আলোচনায় বাধা দেওয়া. তিনি বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন যে, মেহসুদকে হত্যা করা হয়েছে পাকিস্তানের এক হুজুরদের দলের সঙ্গে সেই দেশের তালিবদের নেতৃত্বের আলোচনা শুরু হওয়ার কথা ছিল. পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, ইসলামাবাদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে এই দেশের মন্ত্রণালয়ে ডেকে পাঠানো হয়েছে ও তাঁকে সরকারি ভাবে সেই ড্রোন হামলার জন্য প্রতিবাদ জানানো হয়েছে, যাতে মেহসুদ নিহত হয়েছে.