একাত্তরে ১৮ জন বুদ্ধিজীবীকে অপহরণ ও হত্যার ১১টি ঘটনায় গত ২৪ জুন বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে. পলাতক আশরাফুজ্জামান ও মুঈনুদ্দীনের অনুপস্থিতিতেই এ মামলার বিচার কাজ চলে। রায়ের দ্বিতীয় অংশে বিচারক বলেন, “আশরাফুজ্জামান খান ও চৌধুরী মুঈনুদ্দীন যে মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৮ জন বুদ্ধিজীবী হত্যায় জড়িত ছিলেন, তা প্রসিকিউশনের তথ্য-প্রমাণে বেরিয়ে এসেছে. তারা কখনো নিজেরাই হত্যায় অংশ নিয়েছে. কখনো জোরালো সমর্থন দিয়েছে, উত্সাহ যুগিয়েছে.”