পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী চৌধুরী নিসার আলি খান এই ড্রোন বিমানের হামলাকে সমালোচনা করেছেন ও বলেছেন যে, এর লক্ষ্য হয়েছে “তেহরিক-এ-তালিবান পাকিস্তান” দলের সঙ্গে দেশের প্রশাসনের সদ্য শুরু হওয়া শান্তি আলোচনায় বাধা দেওয়া. বৃহস্পতিবারে পাকিস্তানের প্রশাসন ঘোষণা করেছিল যে, তারা তালিবদের সঙ্গে শান্তি সমঝোতা নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন. কিন্তু তালিবরা এখনও এই খবরকে সমর্থন করে নি.

পাকিস্তানের "ডন" সংবাদপত্রে যেমন খবর দেওয়া হয়েছে যে, মেহসুদের গাড়ী লক্ষ্য করে এই বিমান থেকে রকেট আঘাত হানা হয়েছিল, যখন সে এক মসজিদে আলোচনায় যোগ দিতে যাচ্ছিল. শনিবারে উত্তর ওয়াজিরিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় মেহসুদ ও এই হামলায় নিহত লোকদের অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়া করা হয়েছে. "অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস" সংস্থা থেকে খবর দেওয়া হয়েছে যে, শনিবারে “তেহরিক-এ-তালিবান পাকিস্তান” দলের নেতাদের বৈঠক শুরু হয়েছে, যাতে এই দলের নতুন নেতা নির্বাচন করা হবে. এই সংস্থার উত্স থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী তালিব দলের নতুন সম্ভাব্য নেতাকে মুল্লা ফজলুল্লা ও সঈদ খানের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া হবে.