তিনি কিন্তু দুঃখ প্রকাশ করেছেন যে, গত বছরে দ্বিপাক্ষিক স্তরে বাণিজ্যের পরিমাণ শতকরা ১৩ ভাগ কমে যাওয়াতে, আর প্রাথমিক ভাবে এই বছরের প্রথমার্ধে তা আরও শতকরা দেড় ভাগ কমে যাওয়ার জন্য. “আশা করব যে, দুই পক্ষই এই পরিস্থিতিকে সংশোধন করার জন্য সম্ভাবনা দেখতে পাবে” – রাষ্ট্রপতি বলেছেন. ইতিবাচক কারণ হিসাবে তিনি উল্লেখ করেছেন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বহুধা বিভক্ত হওয়াকে. জ্বালানী ক্ষেত্রেও সহযোগিতা সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে চলেছে. এই প্রসঙ্গে রাশিয়া ও ফ্রান্স সংযুক্ত ভাবে নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি তৈরীর কাজ করছে. বিমান নির্মাণের ক্ষেত্রেও সহযোগিতা ফলপ্রসূ হয়েছে. উদাহরণ হিসাবে পুতিন “সুখই” কোম্পানী নির্মিত “সুপারজেট -১০০” বিমানের কথা উল্লেখ করেছেন ও নতুন মাঝারি পাল্লার বিমানের কথাও বলেছেন. মহাকাশ গবেষণা সম্বন্ধে যা বলা যেতে পারে, তা হল ফ্রান্সের কুরু মহাকাশ উড়ান কেন্দ্র থেকে ইতিমধ্যেই পাঁচটি মহাকাশযান পাঠানো সম্ভব হয়েছে ও আরও ১১টি পাঠানোর কথা রয়েছে.