দামাস্কাসে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন যে, “জেনেভা-২” সম্মেলনের জন্য প্রস্তুতি চালানো হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সমর্থনে. সেই সঙ্গে ব্রাহিমি জোর দিয়ে বলেন যে, নতুন সম্মেলনের সাফল্যের জন্য সিরিয়া সম্পর্কে আগের “জেনেভা-১” শান্তি সম্মেলনের সিদ্ধান্ত পালন করা প্রয়োজন. তিনি বিশেষ করে উল্লেখ করেন যে, “জেনেভা-২” সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে না, যদি তাতে সিরিয়ার বিরোধীপক্ষ অংশগ্রহণ না করে. ব্রাহিমি দামাস্কাসে এসেছেন গত সোমবার “জেনেভা-২” সম্মেলনের প্রস্তুতির কাঠামোতে, যা, আশা করা হচ্ছে, ২৩শে নভেম্বর শুরু হবে. আশা করা হচ্ছে যে, বিরোধী শক্তি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে ৯ই নভেম্বর ইস্তাম্বুলে, যেখানে তাদের সদর দপ্তর অবস্থিত. আগে নিজের নিকট প্রাচ্য সফরের কাঠামোতে ব্রাহিমি সিরিয়া ছাড়া, যেখানে তিনি সাক্ষাত্ করেছেন দেশের রাষ্ট্রপতি বাশার আসদ এবং বিরোধীপক্ষের সাথে, সফর করেছেন জর্ডান, ইরাক, কুয়েত, ওমান ও তুরস্ক. এ সম্মেলন আহূত হচ্ছে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে, তার তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয় নি. ব্রাহিমি ৫ই নভেম্বর রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণে উচ্চপদস্থ কূটনীতিজ্ঞদের ত্রিপাক্ষিক সাক্ষাত্ আহ্বান করবেন. সেই দিনই তিনি সাক্ষাত্ করবেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য অন্যান্য দেশ – ফ্রান্স, গ্রেট-বৃটেন ও চীনের প্রতিনিধিদের সাথে.