আদালতের কাঠগড়ায় – ৮০০ জনের উপর. রায় দেবার কথা ছিল বুধবার, কিন্তু পত্রিকার সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আদালত রায়ের বয়ান তৈরি করে উঠতে পারে নি. দোষী সাব্যস্ত হলে প্রাক্তন সীমান্ত রক্ষীদের মৃত্যুদণ্ড এবং বেসামরিক লোকেদের –কারাদণ্ড হতে পারে. সীমান্ত বাহিনীর, যাকে তখন বলা হত “বাংলাদেশ রাইফেলস”, সৈনিকরা ২০০৯ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারী ঢাকায় নিজেদের সদর দপ্তর দখল করে এবং অফিসার ও জেনারেলদের হত্যা করা শুরু করে. নিহত হয় ৭৪ জন. সৈনিকদের মুখ্য দাবি ছিল বেতন বৃদ্ধি এবং সামরিক সেবার পরিবেশের উন্নতি. এ মামলা শুরু হয় ২০১১ সালের আগস্টে. “ঢাকা ট্রিবিউন” পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগ তোলা হয় বিদ্রোহের ৮৫০ জন অংশগ্রহণকারীর বিরুদ্ধে. তাদের মধ্যে বাংলাদেশের বৃহত্তম বিরোধী পার্টি বাংলাদেশ ন্যাশানালিস্ট পার্টির সদস্য গাজি নাসিরুদ্দীন পিন্টু-ও আছে.