খবরে বলা হয়েছে যে, তুরস্কের কর্তৃপক্ষ আশা করে যে, এ টানেল পশ্চিম ইউরোপ ও এশিয়ার মাঝে বাণিজ্যের বিকাশে সহায়তা করবে, বিশেষ করে চীনের সাথে, আর তাছাড়া বস্ফোরস প্রণালীর উপরে বিদ্যমান দুটি সেতুর উপর যে চাপ রয়েছে, তা কমাবে. টানেল নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল ২০০৪ সালেই, কিন্তু সময় প্রলম্বিত হয় নৃতত্ত্ব বিষয়ক খনন কাজ চালানোর জন্য. ১.৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই টানেলের নির্মাণে খরচ হয়েছে প্রায় ৪০০ কোটি ডলার, যাতে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে জাপানের ব্যাঙ্ক. প্রসঙ্গত, “বি.বি.সি” উল্লেখ করেছে যে, উদ্বোধনী সমারোহের পরে টানেল কাজ করবে শুধু আংশিকভাবে. কবে তা পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ করবে সে সম্বন্ধে এখনও জানানো হয় নি.