সবচেয়ে গুরুতর সঙ্ঘর্ষ ঘটেছে গাজিপুর শহরে, যেখানে আহতদের মধ্যে পুলিশও আছে. রাজধানী ঢাকায় উচ্চপদস্থ পুলিশ অফিসার আহত হন বিস্ফোরণের ফলে. হরতাল আয়োজন করেছে দেশের প্রধান বিরোধী পার্টি – বাংলাদেশের ন্যাশানালিস্ট পার্টি (বি.এন.পি). এ পার্টির সাথে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশের ইস্লামপন্থীরা. বিরোধীপক্ষের সমর্থকরা যানবাহন চলাচলে বাধা দিচ্ছে, রাস্তা অবরোধ করছে, পুলিশের উপর পাথর ছুঁড়ছে, হাত-বোমা ফাটাচ্ছে. ২৬শে অক্টোবর থেকে চলা সঙ্ঘর্ষে দেশে এখনও পর্যন্ত ১৬ জন নিহত হয়েছে. বি.এন.পি-র তিন দিনের হরতাল শুরু হয়েছে রবিবার. বিরোধীপক্ষের প্রধান দাবি – আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগ এবং প্রাক-নির্বাচনী অভিযানের সময়ে শাসন ক্ষমতা “নিরপেক্ষ” সাময়িক সরকারের হাতে সমর্পণ. পার্লামেন্টারী নির্বাচন নির্ধারিত হয়েছে জানুয়ারী-তে. শেখ হাসিনা-র সরকার, নিজের তরফ থেকে প্রস্তাব করেছে নির্বাচনের সময় এমন মন্ত্রী-পরিষদ গঠনের, যাতে অন্তর্ভুক্ত হবে সমস্ত প্রধান পার্টির প্রতিনিধিরা. বিরোধীপক্ষ এ পরিকল্পনা প্রত্যাখান করেছে. বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এ বছরে তীব্র হয়ে উঠেছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সামরিক অপরাধে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে বিচার উপলক্ষে. আদালত ইতিমধ্যে বি.এন.পি-র সহযোগী “জামাআত-ই-ইসলামী” পার্টির কয়েক জন নেতাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছে. ইস্লামপন্থীরা উত্তরে ব্যাপক প্রতিবাদ অভিযান চালাচ্ছে, যার গতিতে বেশ কিছু লোক হতাহত হয়েছে.