প্লাজা ধসে এক হাজার ১৩৫ জন নিহত হয় বলে সরকারি হিসাবে বলা হয়েছে। আহত হয়েছে কয়েক হাজার জন। রানা প্লাজায় হতাহতদের অধিকাংশই পোশাক শ্রমিক। আটতলা ওই ভবনটিতে ৫টি পোশাক ‍কারখানা ছিল।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৯৪ শতাংশ জানিয়েছে, নিয়োগদাতা কারখানাগুলোর কাছ থেকে তারা এখনও কোনো ভাতা বা ক্ষতিপূরণসহ আইনি কোনো সহায়তা পাননি।

অ্যাকশন এইড জানায়, ভয়াবহ ভবন ধসের ওই ঘটনায় বেঁচে যাওয়া ৯২ শতাংশ জীবিত শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছে, যার কারণে তারা পুনরায় কাজে যোগ দিতে পারছে না।

তবে আন্তর্জাতিক পোশাক ক্রেতা কোম্পানিগুলোর মধ্যে একমাত্র ব্রিটেনভিত্তিক প্রাইমার্ক ভুক্তভোগীদের আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।

এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার নিহতদের পরিবারগুলোর কয়েকশ সদস্য ধসে যাওয়া রানা প্লাজ ভবনের ওই দূর্ঘটনাস্থলে বিক্ষোভ করেছে। অনেক শিশুদের হাতে এ সময়ে বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত প্লাকার্ড শোভা পাচ্ছিল। এ ধরণের একটি প্লাকার্ডে লেখা ছিল- দয়া করে সদয় হোন! আমাদের বাবা-মা আপনাদের কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। আমরা ক্ষতিপূরণ চাই!