ওবামার কথায়, পক্ষদ্বয় আলোচনা করেছে গোটা একসারি প্রশ্ন, সেই সঙ্গে নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে সংগ্রাম, আফগানিস্তানের পরিস্থিতি, এবং তাছাড়া ভারতের সাথে পাকিস্তানের সম্পর্ক. ওবামা উল্লেখ করেন যে, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যকলাপের “দু দেশের মাঝে উত্তেজনার উত্স হওয়ার বদলে মিলিত কার্যকলাপে শক্তির উত্স হয়ে ওঠা উচিত্”. নিজের তরফ থেকে নওয়াজ শরিফ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের ক্ষেত্রে সহযোগিতা সুদৃঢ় করায় ইস্লামাবাদের প্রস্তুতির কথা সমর্থন করেছেন, তবে একই সঙ্গে বলেছেন যে, পাকিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন বিমানের ব্যবহার বন্ধ করা উচিত্. এ প্রসঙ্গে আফগানিস্তানের বিষয় আলোচিত হয়. ওবামা উল্লেখ করেন যে, তিনি শরিফ-কে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, এ দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা সম্বন্ধেই শুধু নয়, “এ অঞ্চলে স্থিতিশীলতার দীর্ঘমেয়াদী স্ট্র্যাটেজির” বাস্তবায়ন সম্বন্ধেও সম্পূর্ণভাবে জানাবেন. ওবামা জানান যে, শরিফের সাথে আলাপ-আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক-অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রসারের প্রশ্নও আলোচিত হয়েছে.