কূটনৈতিক সূত্র ধরে বলা যায়, যে আলোচনা হবে প্রতি-পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের পর্যায়ে. ঐ সাক্ষাত্কার সিরিয়ার সরকারি পক্ষ ও বিরোধীদের মধ্যে বাক্যালাপ শুরু করাতে পারে. অন্যদিকে ‘জেনেভা-২’ সম্মেলন শুরু করার সর্বসম্মত শর্ত এখনো খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না. তথাকথিত ‘সিরিয়ার বন্ধুদের’ দল লন্ডনে বৈঠকে একমতে পৌঁছাতে পারেনি. প্রতিনিধিরা সবাই বাশার-আল আসাদের পদত্যাগের দাবী করছে. অন্যদিকে স্বয়ং আসাদ লেবাননের একটি টেলি চ্যানেলকে দেওয়া ইন্টারভিউয়ে ঘোষণা করেছেন, যে তিনি পদত্যাগ করবেন না, এবং পরবর্তী জাতীয় নির্বাচণে অংশ নেবেন.