তাজিকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, আলাপ-আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করবে “আফগানিস্তান থেকে ২০১৪ সালের জন্য পরিকল্পিত ন্যাটো জোটের মুখ্য বাহিনী অপসারণের পরে আঞ্চলিক নিরাপত্তার” বিষয়. আফগানিস্তান থেকে আন্তর্জাতিক সামরিক বাহিনী অপসারণের পরে আফগানিস্তানের সাথে সীমানায় সম্ভাব্য নেতিবাচক পরিস্থিতির বিকাশে দুশানবে উদ্বিগ্ন. আগে যৌথ নিরাপত্তার চুক্তি সংস্থা তাজিকিস্তানকে সামরিক ও সামরিক-প্রযুক্তিগত সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল আফগানিস্তানের সাথে সীমানা মজবুত করার জন্য, যাতে সন্ত্রাসবাদী বিপদ নিবারণ করা যায় এবং নার্কোটিকের চোরাচালানের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা যায়.