২০১১ সালের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের পর থেকে এটা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ-সঙ্কট, যেখানে রাজনীতিজ্ঞরা বাজেট সম্বন্ধে বা রাষ্ট্রীয় ঋণের সীমা সম্বন্ধে সমঝোতায় আসতে পারছে না, ফলে ইউয়ান ক্রমেই বেশি জীবনীশক্তি সম্পন্ন বিশ্বব্যাপী রিজার্ভ মুদ্রা হয়ে উঠছে. অবশ্যই, অনেক কিছু আছে, যা বিশ্ব প্রাধান্য অর্জনে চীনের মুদ্রার সামনে দাঁড়িয়ে আছে. এর মধ্যে আছে ইউয়ান মুদ্রার স্বচ্ছন্দ লেনদেন না থাকা, এবং অর্থনীতি ও মুদ্রা নীতিতে রাষ্ট্রের ক্রমাগত হস্তক্ষেপ, ইত্যাদি. তবে চীন দেখিয়েছে যে, সে পরিস্থিতির প্রয়োজনে নিজের বাধ্যবাধকতা সম্বন্ধে জবাবদিহি করতে প্রস্তুত. আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অর্থ-সঙ্কটের আলোকে বিনিয়োগকারীদের জন্য এটাই যথেষ্ট হবে. বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সমস্ত চেষ্টা করবে যাতে বর্তমান ধারা বজায় রাখা যায়, অন্ততপক্ষে এ বছরের শেষ পর্যন্ত. তবে চীনের জাতীয় ব্যাঙ্ক যে তা করতে পারবে এ ব্যাপারে আস্থা খুব একটা নেই. কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের যথেষ্ট প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, দেশে, আগের মতোই, লিকুইডিটি-র বিপুল সমস্যা রয়েছে.