বিশৃঙ্খলার কারণ ২৫-বছর বয়সী একজন মস্কোবাসীর খুন হওয়ার ঘটনা. তদন্তকারীদের সংগ্রহ করা তথ্য অনুযায়ী, ঝামেলা বেধেছিল বিভিন্ন জাতির লোকেদের মধ্যে পারস্পরিক বিদ্বেষের দরুন. খুনটা করেছে খুব সম্ভবত অন্য জাতির একজন, যে মস্কোয় এসেছিল পয়সা কামাতে.

জনকল্যাণ, অভিবাসন ও আঞ্চলিক উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের পর্যবেক্ষক কমিটির হোতা ইউরি ক্রুপনোভের মতে মস্কোর দক্ষিণাঞ্চলে যে ঘটনা ঘটেছে, তা বহুদিন ধরে ক্রমশ বাড়তে থাকা সমস্যাটিকেই জনসমক্ষে তুলে ধরেছে. –

যে বিশাল সংখ্যক বিদেশী অধিবাসী বড় নগরীগুলিতে এসে আশ্রয় নেয়, তাদের নিয়ে কেউ নাড়াচাড়া করে না. সবকিছু ছেড়ে দেওয়া আছে পৃথক কিছু কারবারির, পৃথক জাতিগত গোষ্ঠীর হাতে. বাসিন্দাদের ক্রুদ্ধ করে কামাতে আসা বিদেশী অধিবাসীরা নয়, তাদের ওপর কোনোরকম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার অনুপস্থিতি.

মানবাধিকারের বিষয়ে সর্বাধিকারী ভ্লাদিমির লুকিনের মতে, পৌর প্রশাসন অভিবাসীদের কেন্দ্র করে নিয়মিত ঘটা বিশৃঙ্খলার দিকে নির্বিকার, যদিও তাদের কর্তব্য প্রতিদিন অভিবাসীদের সাথে যোগাযোগ রাখা ও বিভিন্ন জাতির লোকেদের ঘনিষ্ঠতর করে তোলা – বলছেন লুকিন. –

মানুষজনকে তাদের জন্য নতুন সমাজের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে শেখানো আবশ্যক, সেজন্য বিভিন্ন প্রগতিশীল মেকানিজম রয়েছে.

রাষ্ট্রসংঘ প্রদত্ত সংখ্যাতথ্য অনুযায়ী রাশিয়ায় ১ কোটি ১০ লক্ষ অভিবাসী বসবাস করে. এই সংখ্যার দিক দিয়ে রাশিয়া পৃথিবীতে দ্বিতীয় স্থানে.