রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, সিরিয়া সংকট নিরসণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার অবদান রয়েছে, যিনি এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই সাথে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষেদের অন্যান্য দেশ, চীন, ভারত, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও ইন্দোনেশিয়ার সমান অবদান রয়েছে। সিরিয়া সংকট সামরিক উপায়ে সমাধানের যেসব দেশ উদ্বিগ্ন হয়েছিল এবং রাশিয়ার প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েছিলো সেসব দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান রুশ প্রেসিডেন্ট। তবে সিরিয়ায় এখনো মার্কিন সামরিক হামলার সম্ভাবনা নিয়ে পুতিন বলেন, কোন প্রকার সামরিক হস্তক্ষেপ আমরা সমর্থন করবো না। তিনি বলেন, শুধুমাত্র জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তের ওপরই তা নির্ভর করবে।

অর্থনীতি প্রসঙ্গে ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার দূরহ সময় অতিক্রম করা সম্ভব হলেও গ্লোবাল অর্থনীতির দ্রুত স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি। মন্দা তা অর্থনৈতিক কাঠামোপ গুনগত মানের চরিত্র বহন করে এবং এর মানে হচ্ছে তা দীর্ঘমেয়াদ বজায় থাকবে বলে উল্লেখ করেন পুতিন।

রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ছে বলে জানান রুশ প্রেসিডেন্ট। জি-২০ এর সভাপতিত্বের দায়িত্বভার রাশিয়ার ওপর থাকাকালিন সময়ে এরকম চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়।

পুতিন আরো বলেন, মূলত সব ধরণের জটিল প্রশ্নের সমাধানে জি-২০ ভুক্ত দেশগুলোর সম্মিলিত অংশগ্রহণে কাজ করার একমত প্রকাশ করেছে। সেই সাথে প্রতিটি দেশের শ্রম বাজার নিয়ন্ত্রণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অবকাঠামোর আধুনিকায়ন করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।