এখন কমিশনের বিশেষজ্ঞরা সিরিয়ার আমলাদের সাথে যোগাযোগ গড়ে তুলছেন, যা তাঁদের কাজে সহযোগিতা করবে. লুয়ানের কথায়, সংস্থা এ ধরণের প্রকল্প সম্বন্ধে বিশদ রিপোর্ট পেয়েছে, যেখানে সংরক্ষিত আছে রাসায়নিক অস্ত্র এবং এখন এ সব তথ্য পরীক্ষা করতে হবে. এই পর্যায়ের কাজ শেষ হতেই সংস্থা সিরিয়ার সরকারের সাথে সর্বসম্মতি অনুযায়ী, নিরস্ত্রীকরণের প্রক্রিয়া শুরু করবে. লুয়ান উল্লেখ করেন যে, সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী বিদ্রোহী দলগুলির সাথে আলাপ-আলোচনা চালাচ্ছে, যাতে যে সব সামরিক গুদাম তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় রয়েছে, সেখানে আন্তর্জাতিক কমিশনের সদস্যদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা যায়. রাসায়নিক অস্ত্র নিষেধ সংস্থার ১৯ জন বিশেষজ্ঞ এবং রাষ্ট্রসঙ্ঘের ১৪জন কর্মী সম্বলিত আন্তর্জাতিক দল মঙ্গলবার লজিস্টিক ঘাঁটি পেতেছে, সিরিয়ায় অবিলম্বে কাজ শুরু করার জন্য.