তবে জাতিসংঘ ঘোষণার ৭ম অধ্যায়ের আলোকে নিষেধাজ্ঞা বা বাশার আসাদের সরকারের ওপর সামরিক শক্তি প্রয়োগ করার প্রস্তাবের সাথে এই সিদ্ধান্তের যোগসূত্র নেই। সমঝোতা অনুযায়ী তৈরি খসড়া প্রস্তাব মানার জন্য আইনি বাধ্যবাধকতার বিষয়টি রাখা হয়েছে কিন্তু এর অন্যথা হলে নিষেধাজ্ঞা বা সামরিক শক্তি প্রয়োগের কোনো স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা রাখা হয়নি।


যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স, পুরোপুরি অধ্যায় ৭ এর আলোকে প্রস্তাবটি তৈরি করতে চেয়েছিল।

প্রস্তাবে আরো বলা হয়, যদি রুশ-মার্কিন প্রস্তাব কোন কারণে ভঙ্গ করা হয় কিংবা রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করা হয়, সেক্ষেত্রে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ অতি সত্বর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

এদিকে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরগেই ল্যাভরোভ বলেছেন, সিরিয়া সংক্রান্ত জাতিসংঘের এই প্রস্তাব রক্ষার দায়িত্ব শুধুমাত্র সিরিয়ার সরকারের ওপরই দিলে চলবে না বরং বিরোধী দলেরও সমান দায়িত্ব রয়েছে। আর উভয়কেই নিশ্চিত করতে হবে যেন রাসায়নিক অস্ত্র জঙ্গীদের হাতে না পৌছায়।