“প্রাচ্য অনুসন্ধান নিয়ে বিজ্ঞান সংক্রান্ত আদেশ দিয়েছিলেন রাণী এলিজাভেতা. তারপর থেকেই এই বিজ্ঞানের বিকাশ হয়েছে মস্কোর রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে”, - বলেছেন ভিক্টর সাদোভনিচি.

তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম প্রাচ্য অনুসন্ধান সংক্রান্ত যাদুঘর.

রেক্টর ব্যাখ্যা করে বলেছেন যে, এই যাদুঘরে আমাদের যুগের পঞ্চম শতকের সময় থেকে নানা রকমের প্রদর্শনীর উপযুক্ত জিনিষ রাখা হয়েছে.

নিজের পক্ষ থেকে ইগর আবীলগাজিয়েভ জানিয়েছেন যে, এই যাদুঘরের জায়গাকে শিক্ষামূলক কাজেও ব্যবহার করা হবে.

তিনি বলেছেন, - “এটা হবে একটা পড়াশোনার যাদুঘর, যাতে ছাত্রছাত্রীরা প্রাচ্য অনুসন্ধান বিজ্ঞানের একেবারে বর্ণমালার সঙ্গেই পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়”.

যাদুঘরের প্রত্নতত্ত্ব সংক্রান্ত অংশ রয়েছে, তাতে বইয়ের সংগ্রহ রয়েছে, যার লেখক এই ইনস্টিটিউটের প্রফেসররা, আর তার সঙ্গে মস্কো শহরে প্রাচ্য অনুসন্ধানের ইতিহাস নিয়ে বিভিন্ন লেখা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিখ্যাত প্রাচ্য অনুসন্ধান বিজ্ঞানীদের ছবিও. ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ও শিক্ষকরা প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের জন্য কিছু নিদর্শন দিয়েছেন, যা তাঁরা নিজেরাই এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলো থেকে নিয়ে এসেছিলেন.

যাদুঘর খোলার অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে ছাত্রছাত্রীদের নিজেদের তৈরী এক অনুষ্ঠান দিয়ে ও রেক্টরের পক্ষ থেকে দেওয়া এক পার্টির পরে.