তাঁর কথামতো, এটা করার জন্য সোভিয়েত আমলের একটা পুরনো রকেট, যা সিরিয়ার সরকারি ফৌজ থেকে বাতিল করা হয়েছে, সেটা নিয়ে তাতে গ্যাস পুরে ব্যবহার করা হয়েছে. পুতিন উল্লেখ করেছেন যে, এই ব্যাপারে খুবই খুঁটিয়ে তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেছেন যে, আন্তর্জাতিক সমাজ যেন সিরিয়াকে ঘিরে সমস্ত রকমের পরিস্থিতির দায়ভার রাশিয়ার ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা না করে কারণ রাশিয়ার উদ্যোগেই সিরিয়াতে রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে ও সিরিয়ার সরকার তা মেনে নিয়েছে বলে. “আমাদের অন্য সমস্ত সহকর্মী দেশের মতই অধিকার ও দায়িত্ব রয়েছে, যারা এই সিরিয়া সংক্রান্ত বিতর্কে যোগ দিয়েছে”, বলেছেন পুতিন. তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, সিরিয়াতে এটাই প্রথম রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার করা হয় নি. তিনি একই সঙ্গে বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন যে, সিরিয়ার বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে নয়, হওয়া উচিত্ রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের আলোচনাতেই. তাঁর কথামতো, সিরিয়ার শেষ কয়েকটি পদক্ষেপই বলে দিচ্ছে যে, তারা রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে দায়িত্ব পালনে আগ্রহী. দামাস্কাসের পক্ষ থেকে রাসায়নিক অস্ত্র নষ্ট করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেছেন যে, “শতকরা একশ ভাগ নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না, তবে আমরা আশা করব যে, সেটা করা সম্ভব হবে”.