এ সম্বন্ধে তিনি লিখেছেন নিজের প্রবন্ধে, যা বুধবার প্রকাশ করেছে “দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস” পত্রিকা. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেছেন, “রাষ্ট্রপতি ওবামার বিবৃতি বিচার করে মনে হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একে সামরিক অভিযানের বিকল্প বলে মনে করে”. তিনি সিরিয়া সম্পর্কে রাশিয়ার সাথে সংলাপ চালিয়ে যাওয়ায় মার্কিন রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার অভিপ্রায় সমর্থন করেন.পুতিন মনে করেন যে, সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে সরকারী বাহিনী নয়, বরং সিরিয়ায় তত্পর জঙ্গীরা. তাঁর মতে, এর প্রয়োজন ছিল বিরোধী শক্তিগুলির, “যাতে দেশে তার অতি ক্ষমতাশালী পৃষ্ঠপোষকদের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ প্ররোচিত করা যায়”. পুতিন উল্লেখ করেন যে, এ খবরও উপেক্ষা করা উচিত্ নয় যে, আরও একটি আক্রমণ প্রস্তুত করা হচ্ছে – ইস্রাইলের বিরুদ্ধে. রাষ্ট্রপতি জোর দিয়ে বলেছেন যে, সিরিয়ার উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আঘাত সঙ্ঘর্ষকে এ দেশের সীমানার বাইরে নিয়ে যেতে ও সন্ত্রাসবাদের বিশাল ঢেউ তুলতে সক্ষম এবং তা বিপুল সংখ্যক নির্দোষ মানুষের মৃত্যু ঘটাবে. তাছাড়া পুতিন জোর দিয়ে বলেছেন যে, সিরিয়ার সঙ্ঘর্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপ তাছাড়া “ইরানের পারমাণবিক সমস্যা ও ইস্রাইলী-প্যালেস্টাইনী সঙ্ঘর্ষ মীমাংসার জন্য সমস্ত বহুপাক্ষিক প্রচেষ্টা বানচাল করতে পারে, এবং নিকট প্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে”. সিরিয়ায় ঘটনা বিকাশের এমন চিত্রনাট্য “গোটা আন্তর্জাতিক বিধান ব্যবস্থাকে তুচ্ছ করে তুলতে পারে”. পুতিন যোগ করে বলেন যে, আফগানিস্তানে, ইরাকে ও লিবিয়ায় পরিস্থিতি প্রমাণ করেছে যে, এ সব দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান উপযুক্ত ফলাফল আনতে পারে নি.