এই সফরের লক্ষ্য পারস্পরিক দৃষ্টিকোণকে কাছে নিয়ে আসা ও আঞ্চলিক এবং দ্বিপাক্ষিক প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করা, - বলেছেন তেহরানে বিমানে চড়ার আগে এক সাংবাদিক সম্মেলনে নতুন মন্ত্রী. ইরান খুবই জোর দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে সিরিয়ার উপরে আঘাত হানার বিরোধীতা করছে. ইরানের পক্ষ থেকে সমর্থন করা হয়েছে যে, সিরিয়াতে জঙ্গীরাই রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে বলে দামাস্কাসের সরকারি মতকেই. কূটনীতিবিদ বলেছেন যে, ইরান অন্যান্য দেশের চেয়ে বেশী সিরিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত. তাঁর কথামতো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে বেশীর ভাগ দেশের নেতাদের পক্ষ থেকে সমর্থন আদায় করতে পারেন নি তাঁর সিরিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক হঠকারিতার জন্য, তাই এটা প্রমাণ করে দেয় যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের যুদ্ধের পক্ষের লোকরা এবারে একঘরে হতে চলেছে তাদের সামরিক ও অন্যান্য বেআইনি পদ্ধতি কূটনৈতিক বিষয়ে ব্যবহারের উপায় গ্রহণের জন্যই.