ওবামা বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি রাশিয়া বা চিনের সঙ্গে সামরিক বিরোধ হতে পারে বলে বিশ্বাস করেন না, যদিও এই দুই দেশই সিরিয়ার উপরে মার্কিন আঘাতের বিরোধী. সিরিয়া সঙ্কটের শেষ সমাধান হওয়া উচিত্ রাজনৈতিক ভাবেই, আর তাতে এই সঙ্কটকে ঘিরে সমস্ত পক্ষেরই অংশ নেওয়া দরকার বলে মার্কিন রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেছেন. তা স্বত্ত্বেও, তাঁর কথামতো, সিরিয়াতে রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ কোন রকমের উত্তর ছাড়া পার পেতে পারে না. মার্কিন রাষ্ট্রপতি দৃঢ় বিশ্বাস করেন যে, এই সব “রাসায়নিক অস্ত্র খুবই নির্লজ্জ ভাবে বাশার আসাদের সেনাবাহিনীই ব্যবহার করেছে”. ওবামা মনে করেন যে, রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার নিয়ে ভারসাম্য হারানো সিরিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলো, যেমন, তুরস্ক, জর্ডন, লেবানন, ইরাক ও ইজরায়েলের জন্য হুমকি হয়েছে. তিনি জানিয়েছেন যে, আমেরিকার জনগনের প্রতি ১০ই সেপ্টেম্বর তিনি সিরিয়া নিয়ে ভাষণ দেবেন. ওবামা ঘোষণা করেছেন যে, তিনি বিশ্বের নেতাদের সঙ্গে ও নিজের দেশের পার্লামেন্টের সাংসদদের সঙ্গেও সিরিয়াতে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রত্যুত্তর নিয়ে আলোচনা করা চালিয়ে যাবেন. ওবামা অস্বীকার করেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়াতে সামরিক অপারেশনের প্রসার বাড়ানোর কথা ভাবছে, আর এই বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদের সততাকে তিনি অস্বীকার করেছেন, কারণ আগে হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে এই অপারেশনকে বলা হয়েছিল সীমিত মাত্রার. তিনি একই সঙ্গে পদাতিক বাহিনী ব্যবহারের সম্ভাবনাও বাতিল করেছেন. ওবামা যোগ করেছেন যে, “কোন দেশই সিরিয়াতে পদাতিক অপারেশন করতে রাজী নয়”.