সেন্ট-পিটার্সবার্গে শুক্রবার জি-২০ সম্মেলনের মঞ্চে বক্তব্য রেখে সিরিয়ায় মানবিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সচিব বান কি-মুন বলেছেন, যে তার সংস্থার কর্মচারীদের সিরিয়া ছেড়ে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই. তিনি জানিয়েছেন, যে সিরিয়ায় ৪৫০০ কর্মচারী রাষ্ট্রসংঘে কর্মনিযুক্ত. বান কি-মুন বলেছেন, যে প্রত্যেক মাসে বহু লক্ষ্য মানুষকে প্রয়োজন ও সামর্থ্যমতো সাহায্য জোগানো হচ্ছে, সে তারা সরকারি ফৌজের অধিকৃত এলাকায় থাকুক, বা সশস্ত্র বিদ্রোহীদের দ্বারা দখলীকৃত এলাকায়. তিনি জানিয়েছেন, যে চলতি সপ্তাহে সিরিয়ায় গেছেন রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সচিবের ত্রাণ বিশয়ক সমণ্বয়কারী ভালেরিয়া আমোস. বান কি-মুন উল্লেখ করেছেন, যে এখনই সারাবিশ্ব খাদ্যদ্রব্য কর্মসূচীতে সিরিয়ার খাতে অর্থবরাদ্দ বাড়ানো দরকার, কারণ অন্যথায় অক্টোবর মাসেই ঐ দেশে খাদ্যের ঘাটতি দেখা দেবে. উপরন্তু শরণার্থীদের জন্যও খাদ্যদ্রব্যের প্রয়োজন. এর প্রাক্কালে তিনি জি-২০ সম্মেলনে প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছিলেন, যে রাষ্ট্রসংঘের সিরিয়ার খাতে বাড়তি ৪৪০ কোটি ডলার দরকার.

জি-২০’র নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রেখে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সচিব বলেছেন – আমাদের সিরিয়ার প্রতিবেশী দেশ জর্ডান ও লিবিয়াকেও সাহায্য করা প্রয়োজন, যেখানে ক্রমশঃই শরণার্থীদের স্রোত বেড়েই চলেছে.