ক্ষেপণাস্ত্র ও সম্ভবতঃ, দীর্ঘ ক্ষণ উড়তে সক্ষম বোমারু বিমান দিয়ে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র নিক্ষেপের অস্ত্র ধ্বংসের পরিকল্পনা করা হয়েছে-কারণ: গত সপ্তাহে রাসায়নিক অস্ত্র আক্রমণের জন্য সিরিয়ার সরকারকে অভিযোগ করা হয়েছে, এর প্রামাণ্য নিরুপণে একটি গোয়েন্দা রিপোর্টের সমাপ্তির অপেক্ষা রয়েছে; এছাড়া চলছে ন্যাটো জোটের এবং কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনা এবং আন্তর্জাতিক আইনের মধ্যে এই আক্রমণের একটা যৌক্তিকতা স্থির করা, সম্ভবতঃ রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার সংক্রান্ত জেনেভা চুক্তির বয়ান থেকেই কোন অজুহাত খুঁজে নেওয়া হতে চলেছে.

“আমরা সক্রিয়ভাবে একটি সিদ্ধান্ত তৈরী করছি, যা জনগনকে জানানো হবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইনের প্রসঙ্গও এখানে টানা হবে” – বলেছেন এই কর্মকর্তা. গোপন থাকতে চেয়ে বক্তব্য জানিয়ে আরেকজন কর্মকর্তা বলেন যে, ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সশস্ত্র মার্কিন যুদ্ধ জাহাজগুলো ইতিমধ্যেই ভূমধ্যসাগরে রয়েছে তাই যুদ্ধ যে কোন সময়েই শুরু করা যেতে পারে. পররাষ্ট্র সচিব জন কেরি গতকাল খুবই কঠোর ভাবে রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ নিয়ে বক্তব্য রাখেন ও তিনি বলেন যে, সিরিয়াতে যে এই অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, তা নিয়ে কোনও “সন্দেহ নেই” আর যারাই তা করে থাকুক না কেন, ওবামা তার জন্য আসাদকে “শাস্তি দেবেন”.