তদুপরি তাদের বিরুদ্ধে সরকারী ভবনগুলি, পুলিশী থানা ও খ্রীষ্টান গীর্জাগুলির ওপর হামলা করানোর জন্য সন্ত্রাসবাদী দলবল গঠন করার অভিযোগও রয়েছে. মিশরের জাতীয় নিরাপত্তাবাহিনী বিগত কয়েকদিনে দেশে শত শত ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’-এর সক্রিয় ক্যাডারদের গ্রেপ্তার করেছে, যাদের অধিকাংশের কাছ থেকে সংরক্ষিত বেআইনী অস্ত্রশস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে. ‘ব্রাদারহুড’-এর শীর্ষনেতাদের সারিতে ধরপাকড়ের ফলে প্রকাশ্য বিক্ষোভের মাত্রায় রীতিমতো ভাঁটা পড়েছে.

জুম্মাবারে (শুক্রবারে) দলটি পূর্বঘোষিত অগুন্তি মানুষের বিক্ষোভের আয়োজন করে উঠতে পারেনি মিশরের বড় শহরগুলিতে. সরকার ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’কে অসাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে ঘোষণা করার বিষয়টি বিবেচনা করে দেখছে.