১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সালের গৃহযুদ্ধের পরে এই সন্ত্রাসবাদী কাজ সবচেয়ে বেশী মানুষের ক্ষতির কারণ হয়েছে. বহু শত ক্ষিপ্ত মানুষ দেশের রাস্তায় বের হয়েছে, যেখানে সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আসাদের প্রতিপক্ষরা খুবই শক্তিশালী, তারা সিরিয়াকে ও লেবাননের শিয়া আন্দোলন হেজবোল্লা নিপাত যাও বলেছে. এরই মধ্যে ত্রিপোলি শহরের সন্ত্রাসবাদী কাজের সমালোচনা করেছে হেজবোল্লা গোষ্ঠীই. তারা বলেছে যে, এই কাজের সঙ্গে তারা যুক্ত নয় ও এই কাণ্ড সরাসরি ভাবে বেইরুটের সন্ত্রাসবাদী কাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত, যেখানে ১৫ই আগষ্ট শিয়া অধ্যুষিত এলাকায় বিস্ফোরণের পরে ২২জন মানুষ নিহত হয়েছিলেন. ত্রিপোলি শহরের বিস্ফোরণ এই এলাকার দেশগুলোতে ও বিশ্বে খুবই ক্ষোভের কারণ হয়েছে. দামাস্কাস ঘোষণা করেছে যে, এই কাজ ভাত সন্ত্রাসবাদীরা ত্রিপোলি শহরে আমাদের ভাইদের উপরে করেছে. ইরানের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকেও লেবাননের সন্ত্রাসবাদী কাজের সমালোচনা করা হয়েছে. রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব বান কী মুন লেবাননের লোকদের শান্তি ও ঐক্য বজায় রাখতে আহ্বান করেছেন. তিনি একই সঙ্গে আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই ধরনের কাপুরুষ লোকদের মতো হিংসার কাজের পেছনে যারা রয়েছে, তাদের শীঘ্রই ন্যায় বিচারের সামনে এনে দাঁড় করানো হবে. তবে বিগত একশ বছর ধরে যারা সারা বিশ্ব জুড়ে সন্ত্রাস পাচার করছে, তাদের নাম উল্লেখ করার কথা তিনি ভাবেন নি.