তিনি উল্লেখ করেছেন যে, পশ্চিমের তরফ থেকে তিনি আশা করেন বোঝার ও স্বীকার করার যে, ইজিপ্টে পরিস্থিতি সমাধান করা হবে কোন রকমের বাইরের দেশের থেকে হস্তক্ষেপ ছাড়াই. তারই সঙ্গে ফাহমি আশা করেন যে, আন্তর্জাতিক সমাজ “যারাই হিংসা প্রসারের কাজ করেছে, তাদের সকলের বিরুদ্ধেই একজোট হবে”. পররাষ্ট্র প্রধান ঘোষণা করেছেন যে, ইজিপ্টে রক্তপাত চলতেই থাকলে, তাঁকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে সম্ভাব্য আর্থিক অনুদান দেওয়া বন্ধ করা উদ্বিগ্ন করেছে. ইজিপ্টের সরকার বিরোধী পক্ষের শিবির ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে দেশের নিরাপত্তার বিপদ দেখে. তাছাড়া, সামরিক বাহিনীর লোকরা বেশ কিছু উচ্চপদস্থ “মুসলমান ভাইদের” দলের লোককে গ্রেপ্তার করেছে. তারই সঙ্গে ইজিপ্টের সরকার মনে করে যে, এই আন্দোলনের সদস্যরা দেশে গণতন্ত্র তৈরীর কাজে যোগ দিতে পারেন. ফাহমি যেমন বলেছেন যে, এটা সেই সব মানুষদের সম্বন্ধেই বলা হচ্ছে, “যাঁরা নিজেদের আইন ভঙ্গ করার সঙ্গে জড়িয়ে ফেলেন নি”.

ইজিপ্টে গত সপ্তাহ থেকে সামরিক বাহিনী ও পদচ্যুত রাষ্ট্রপতি মুর্সির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে. দেশে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে, আর দেশের চোদ্দটি শহরে জারী করা হয়েছে কার্ফ্যু. এই সব গোলমালের সময়ে প্রায় ৯০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন.