রাষ্ট্রসংঘ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, যে তত্সম্পর্কিত অনুরোধ সম্বলিত পত্র ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে সিরিয়ার শাসকদের কাছে, যাতে ২১শে অগাস্ট রাসায়নিক হামলা যেখানে হয়েছে সেই এলাকাটি রাষ্ট্রসংঘের পর্যবেক্ষকদের পরিদর্শন করার অনুমতি দেওয়া হয়. আরও জানানো হয়েছে, যে দামাস্কাসের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি ও অস্ত্র বর্জন করানোর ব্যাপারে দক্ষ পেশাদার অ্যাঞ্জেলা কানে. ঘটনাটি সম্পর্কে প্রথম খবর প্রচারিত হওয়ার সময় থেকেই রাষ্ট্রসংঘের সরকারি প্রতিনিধিরা সিরিয়ার শীর্ষ প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন.

বান কি মুন বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন – “রাসায়নিক অস্ত্রের প্রয়োগ যে পরিস্থিতিতেই, যার দ্বারাই, যেখানেই হোক না কেন, তাকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বলে বিবেচনা করা হবে”. তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, যে মানবজাতির বিরুদ্ধে এমন অপরাধের কড়া, যোগ্য শাস্তি হওয়া আবশ্যক. বান কি মুন বলেছেন, যে সিরিয়ায় সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রসংঘের কর্মকান্ডে আন্তর্জাতিক জনসমাজের মদত একান্তই অপরিহার্য. সাধারণ সচিব জানিয়েছেন, যে সিরিয়ার প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করার জন্য প্রোটোকল সম্মন্ধীয় সব কাজ সম্পন্ন করা হয়ে গেছে.