বৈধতার সমর্থনে জাতীয় কোয়ালিশন দলের পক্ষ থেকে এর আগে এ বিক্ষোভ কর্মসূচীর আহবান করা হয়। তাদের পক্ষ থেকে এ আন্দোলনকে “শুক্রবারের শহীদ” বিক্ষোভ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৩ জুন সেনা অভ্যুত্থানে মুরসির ক্ষমতাচ্যুতির পর মিশরের অন্তর্বর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন আদলি মনসুর। আর এর পর থেকেই মুরসির পক্ষে বিক্ষোভ করে আসছে ব্রাদারহুড সমর্থকরা। জুন মাসের শুরু থেকে চলা ওই আন্দোলনে নিরাপত্তাবাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে ৮০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় মিশরের সরকার দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে এবং কয়েকটি প্রদেশে কারফিউ জারি করেছে।