যা বজেয়াপ্ত করা হয়েছিল ব্রাজিলের নাগরিক ডেভিড মিরান্ডা-র কাছ থেকে লন্ডন বিমানবন্দরের ট্রানজিট জোনে তাকে আটক করা এবং বহু ঘন্টা ব্যাপী জেরার পর. এ সম্বন্ধে বুধবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিউ প্যাট্রিওটা. কথা হচ্ছে রিও-দে-জেনিরো শহরে বাস করা গার্ডিয়ান পত্রিকার সাংবাদিক গ্লেন গ্রিনওয়াল্ডের বন্ধুর, যিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সি.আই.এ-র প্রাক্তন কর্মী এডওয়ার্ড স্নোডেনের তথ্যের ভিত্তিতে একসারি উদ্ঘাটনমূলক প্রবন্ধ লিখেছিলেন. বৃটেনের “গার্ডিয়ান” পত্রিকা এবং ব্রাজিলের “গ্লোবু” পত্রিকায় দেখ দেওয়া প্রবন্ধগুলিতে টেলিফোন আলাপ এবং ইন্টারনেট-ট্রাফিকের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মার্কিনী বিশেষ বিভাগগুলির কার্যকলাপের বর্ণনা করা হয়েছে. জেরার সময় মিরান্ডা-কে তার ইলেকট্রোনিক ডাকের ঠিকানা ও সামাজিক নেটওয়ার্কে পৃষ্ঠার কোড জানাতে বাধ্য করা হয়েছিল এবং এখন মিরান্ডার উকিলরা লন্ডনের আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে আদালতের নিষেধাজ্ঞা জারি করানোর জন্য, যাতে দলিলপত্র বজেয়াপ্ত করার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সুযোগ সীমিত করা যায়.