জানিয়েছে “এন.এইচ.কে” টেলি-চ্যানেল. টেলি-চ্যানেল সঠিক করে জানায় যে, তার তথ্য অনুযায়ী, এ সাক্ষাত্ অনুষ্ঠিত হবে “উচ্চ পর্যায়ে”, এবং তাতে “ভূভাগীয় সমস্যা” আলোচিত হবে. টেলি-চ্যানেল জোর দিয়েছে যে, ৫ই সেপ্টেম্বর আলাপ-আলোচনা চালানোর ব্যাপারে সমঝোতা অর্জিত হয়েছিল ১৯শে আগস্ট মস্কোয় রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইগর মর্গুলোভ এবং জাপানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেনসুকে সুগিয়ামার সাক্ষাতের সময়. জাপান কুরিল দ্বীপপুঞ্জের চারটি দ্বীপ – ইতুরুপ, কুনাশির, শিকোতান ও হাবোমাই দ্বীপের দাবি করছে ১৮৫৫ সালের বাণিজ্য ও সীমানা সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক দলিলের উদ্ধৃতি দিয়ে. মস্কোর স্থিতি হল এই যে, দক্ষিণ কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলের ভিত্তিতে, এবং এ দ্বীপগুলির উপর রাশিয়ার সার্বভৌমত্ব আন্তর্জাতিক বিধানের দ্বারা সূত্রবদ্ধ এবং তা সন্দেহের অবকাশ রাখে না. আশা করা হচ্ছে যে, এ বছরের শরতকালে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরোভ জাপান সফর করবেন.