এ সম্বন্ধে মঙ্গলবার ক্ষমতাসীন ন্যায় ও বিকাশের পার্টির আঞ্চলিক পরিচালকমন্ডলীর বৈঠকে. তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, “মিশরে কুদেতা-র পিছনে রয়েছে ইস্রাইল”, এবং তাঁর পার্টির হাতে তার প্রমাণ আছে. পুরো খুঁটিনাটি না জানিয়ে এর্দোগান বলেন, “২০১১ সালের নির্বাচনের প্রাক্কালে ফরাসী বুদ্ধিজীবীদের এক প্রতিনিধি, তিনিও ইহুদী, এ সম্বন্ধে বলেন. তিনি জানান যে, “ভাই মুসলমান” আন্দোলন, এমনকি নির্বাচনে জয়লাভ করলেও, জিতের অবস্থায় থাকতে পারবে না, কারণ গণতন্ত্র – এটা নির্বাচন নয়”. তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী পাশ্চাত্যকে পরামর্শ দেন “গণতন্ত্র কি, তা অধ্যয়ন করতে এবং আয়ত্ত করতে”. পাশ্চাত্যের দেশগুলি যদি তা না করে, তাহলে তাঁর কথায়, সঙ্ঘর্ষ ও মোকাবিলা পৃথিবীর অন্যান্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়বে. এর্দোগান তাছাড়া এ বিষয়ও স্পর্শ করেন যে, তুরস্কে জনসমাজের একাংশ তাঁকে একনায়ক বলে অভিহিত করে. তিনি উত্তর স্বরূপ বলেন, “একনায়ক দেখতে চান – চলে যান মিশরে”. প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, ২০১৪ সালের মার্চে, যখন তুরস্কে স্থানীয় শাসনের সংস্থার এবং রাষ্ট্রপতির নির্বাচন হবে, তখন একনায়কত্বের কথা যাঁরা বলছেন তাঁরা উত্তর পাবেন.