ভারতে তুন্ডা সবচেয়ে বিপজ্জনক অপরাধীদের তালিকায় প্রথম কুড়ি জনের মধ্যে আছে. গত শতাব্দীর নয়ের দশকে নয়াদিল্লী, মুম্বাই ও হায়দ্রাবাদে সে প্রায় ৪০টি সন্ত্রাসকান্ডের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, যার দরুন তখন ২৫ জনের প্রাণহানি হয়েছিল এবং আরও প্রায় ৫০০ জন আহত হয়েছিল.

গোয়েন্দা বিভাগের কাছে খবর ছিল, যে ২০০১ সালে তুন্ডা নাকি ভারত থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে গা-ঢাকা দিয়েছিল ও সেখানেই নাকি অপরাধ জগতের খেয়োখেয়িতে সে সাবাড় হয়ে গেছিল. কিন্তু কিছুদিন আগে তুন্ডাকে আবিষ্কার করা হয় পাকিস্তানের লাহোরে, যেখানে সে ছিল একটা দোকানের মালিক. ২০০৬ সালে তাকে কেনিয়ায় গ্রেফতার করা হলেও, পরে সে জেল থেকে পালিয়ে গিয়েছিল.