মস্কোয় আশা করা হচ্ছে যে, এ সমঝোতাটেকনো-পার্ককে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি মীমাংসার সুযোগ দেবে, যা আন্তঃকোরীয় পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপের প্রতীক বলে বিবেচনা করা হয়, বলা হয়েছে মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে. রাশিয়া আশা করে যে, পিয়ংইয়ং ও সেওল “কেসোন অভিজ্ঞতার” ভিত্তিতে অন্যান্য জরুরী সমস্যা সম্পর্কে ফলপ্রসূ সংলাপ গড়ে তুলতে পারবে. আর তা কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা হ্রাস করতে, নিরাপত্তা সুদৃঢ় করতে, এবং আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে, বলা হয়েছে দলিলে. আগে জানানো হয়েছিল যে, পক্ষদ্বয়ের মাঝে সমঝোতা অর্জিত হয়েছিল সেওল ও পিয়ংইয়ংয়ের মাঝে আলাপ-আলোচনার সপ্তম রাউন্ডে. কেসোন সমস্যা নিয়ে আগের ছয় রাউন্ডের আলাপ-আলোচনা বিফল হয়েছিল.