কূটনীতিবিদ বলেছেন: আমরা প্রতিবেশী দেশ, ঠিক সেই কারণেই আমাদের দুই দেশের মধ্যে নানা ধরণের সমস্যার উদ্ভব হতে পারে. কিন্তু আমরা আগের মতই চিন- জাপান সম্পর্কের উন্নতির পক্ষে রয়েছি আর মনে করি যে, আলাদা কিছু সমস্যার জন্য আমাদের দুই দেশের ভেতরের অন্য সমস্ত বিষয়ের পারস্পরিক সহযোগিতাকে ক্ষুণ্ণ হতে দেওয়া যায় না. তিনি বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন যে, চিনও জাপান সম্পর্ক দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গুলির মধ্যে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক. তার পরবর্তী কালে উন্নতি যেমন দুই দেশেরই জন্যে, তেমনই সামগ্রিক ভাবে এই অঞ্চলের স্বার্থের জন্যও খুবই গুরুত্বপূর্ণ.

এই ঘোষণা করা হয়েছে চিন ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে চুক্তির ৩৫ বছরের জয়ন্তী উপলক্ষে.

এর আগে চিনের পররাষ্ট্র দপ্তরের সরকারি প্রতিনিধি হুন লেই ঘোষণা করেছিলেন যে, চিন ও জাপান দুই প্রতিবেশী দেশ. তাদের মধ্যে সুপ্রতিবেশী সুলভ দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের উন্নতি যেমন এই দুই দেশের সমস্ত জনগনের জন্যে, তেমনই সামগ্রিক ভাবে এশিয়ার ও সমস্ত বিশ্বের স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রয়াসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ.

হুন লেই আরও বলেছেন যে, আজ চিন ও জাপান সম্পর্ক কঠিন সমস্যার মুখে পড়েছে, তাই দুই পক্ষই বাধ্য ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে বর্তমানের সমস্ত সমস্যাকে উপযুক্ত ভাবেই সমাধান করতে ও এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে স্বাভাবিক ভাবেই উন্নত হতে দিতে.

দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে, যখন ২০১২ সালে জাপান দক্ষিণ চিন সাগরের দ্বীপপূঞ্জের একাংশ ব্যক্তিগত মালিকের কাছ থেকে কিনে নিয়েছিল ও তাতে চিন ক্ষুব্ধ হয়েছিল, কারণ দুই দেশের মধ্যেই এই দ্বীপগুলোর মালিকানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে.