যার বিন্যাস গত সপ্তাহে শপথ গ্রহণের সময় পেশ করেছিলেন রাষ্ট্রপতি হাসান রৌহানি. পার্লামেন্টের সদস্যদের তিন দিনের মধ্যে ১৮ জন ভাবী মন্ত্রীর প্রত্যেকের সদস্য-পদ আলোচনা করতে হবে. রৌহানির দ্বারা নির্বাচিত বেশির ভাগ প্রার্থী আগেকার রাষ্ট্রপতিদের সরকারে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, এবং তাঁরা নিজেদের নরমপন্থী বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গীর জন্য খ্যাত. তবে রৌহানি মন্ত্রী-পরিষদে খোলাখুলি সংস্কারবাদী বিশ্বাস থাকা লোকেদের নাম করেন নি, যাতে মেজলিসে সংখ্যাধিক্য থাকা রক্ষণশীলদের প্রতিরোধের সম্মুখীন হতে না হয়. গত সপ্তাহে ইরানের নতুন রাষ্ট্রপতি বলেন যে, মন্ত্রী পদে প্রত্যেক প্রার্থীকে “চূড়ান্তভাবে রক্ষা” করতে চান. তিনি যোগ করে বলেন যে, মন্ত্রী পদে প্রার্থীদের নির্বাচনের সময় “কেউ তাঁর উপর চাপ দেয় নি”.